1. selimnews18@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস :
  2. selim.bmail24@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২) : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২)
  3. asadzobayr@yahoo.com : Zobayr : আসাদ জোবায়ের
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ১১:২০ অপরাহ্ন

করোনার লক্ষণ দেখা দিলে যেভাবে থাকবেন ‘আইসোলেশনে’

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে মরণঘাতী করোনাভাইরাস। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশপাশের মানুষ থেকে আলাদা করে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে বলছেন বিশেষজ্ঞ ও ডাক্তাররা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে ‘সেল্ফ আইসোলেশনে’ চলে যেতে হবে। জ্বর এবং শুকনো কাশি হলো করোনাভাইরাসের প্রাথমকি লক্ষণ। এ লক্ষণ দেখা দিলেই ‘সেল্ফ আইসোলেশনে’ যেতে হবে। ‘সেল্ফ আইসোলেশনে’ যাওয়ার উদ্দেশ্য হলো আক্রান্ত ব্যক্তির বাসা, পরিবার, কর্মস্থল বা সামাজিক পরিমণ্ডলে কারও যাতে করোনাভাইরাস না ছড়াতে পারে।

যেভাবে ‘সেল্ফ আইসোলেন’ করতে হবে

‘সেল্ফ আইসোলেশনে’ যাওয়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে আপনাকে ঘরে থাকতে হবে। এ ছাড়া কর্মস্থলে, স্কুলে বা লোকসমাগম হয়-এমন যেকোনো প্রকাশ্য স্থানে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট অর্থাৎ বাস, ট্রেন, ট্রাম, ট্যাক্সি বা রিকশা প্রভৃতিতে চলাচল বন্ধ করে দিতে হবে

যেমন ঘরে থাকতে হবে

এমন একটা ঘরে থাকুন যেখানে জানালা রয়েছে, ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। বাসার অন্য লোকদের থেকে আলাদা থাকুন। রোগী হিসেবে সহমর্মীতার অংশ হিসেবে আপনাকে কেউ যেন ‘দেখতে না আসে’ তা নিশ্চিত করুন।

আপনাকে যদি বাজার-হাট করতে হয়, কোনো ওষুধ বা অন্য কিছু কিনতে হয়- তাহলে অন্য কারও সাহায্য নিন। আপনার বন্ধু, পরিবারের কোনো সদস্য বা ডেলিভারিম্যান এটা করতে পারে।

যারা আপনার জন্য খাবার বা জিনিসপত্র নিয়ে আসবে, তাদের বলুন আপনার ঘরের দরজার বাইরে সেগুলো রেখে যেতে।

বাড়ির অন্যদের যা করতে হবে

করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে ‘কমন রান্নাঘর’ ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি রান্নাঘরে এমন সময় যাবেন যখন অন্য কেউ রান্নাঘরে না থাকেন। আক্রান্ত ব্যক্তির উচিত হবে রান্নাঘর থেকে খাবার নিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে খাওয়া।

ঘরের মেঝে, টেবিল চেয়ারের উপরিভাগ প্রতিদিন তরল সাবান বা অন্য কোনো ক্লিনিং প্রোডাক্ট দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

যদি নিজেকে সম্পূর্ণ আলাদা করা সম্ভব না হয় তাহলে যা করবেন

নিজেকে যদি সম্পূর্ণ আলাদা না করা সম্ভব হয়, তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো একে অপরের সংস্পর্শে আসা যতটা সম্ভব সীমিত করুন। যদি সম্ভব হয়, বাসার অন্য লোকদের থেকে কমপক্ষে ২ মিটার বা ৬ ফুট দূরে থাকুন। ঘুমানোর সময় একা ঘুমান। করোনাভাইরাস যাদের জন্য বেশি বিপজ্জনক, যেমন বয়স্ক মানুষ, তাদের থেকে দূরে থাকুন।

বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে অন্যদের যা করতে হবে

বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে অন্যদের ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পর বা অন্য সময় সাবান ও পানি ব্যবহার করে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে কোনো জিনিস ‘শেয়ার’ করা যাবে না।

বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে কোনো তোয়ালে, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার বা এ রকম কোনো টয়লেট্রিজ সবাই মিলে ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির আলাদা একটি বাথরুম ব্যবহার করা উচিৎ। তা সম্ভব না হলে নিয়ম করুন যে, যিনি আইসোলেশনে আছে তিনি বাথরুম ব্যবহার করবেন সবার শেষে এবং ব্যবহারের পর সম্ভব হলে সেটি ভালোভাবে পরিষ্কার করবেন।

যিনি আইসোলেশনে আছেন, তার ফেলা বা সংস্পর্শে আসা সব রকম আবর্জনা একটি বিনব্যাগে ভরে তা আবার আরেকটি ব্যাগে ভরুন। যদি তার করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত হয়-তাহলে এই আবর্জনা কীভাবে ফেলতে হবে সে ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এ বিভাগের আরও খবর...

Comments are closed.

Shares