1. selimnews18@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস :
  2. selim.bmail24@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২) : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২)
  3. asadzobayr@yahoo.com : Zobayr : আসাদ জোবায়ের
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন

প্রান নাশের হুমকি! জেলা পরিষদ চেয়াম্যানের কাছে এক বাংলাদেশ-ব্রিটিশ দ্বৈত নাগরিকের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: সৈয়দ আহমদ নামের বাংলাদেশ-ব্রিটিশ দ্বৈত এক নাগরিককে প্রান নাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়াম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন দ্বৈত এ নাগরিক। মৌলভীবাজারের বানিকা করিমনগরের মৃত হাজ্বী আব্দুল লতিফের পুত্র সৈয়দ আহমদের প্রায় ৩০০ একর জায়গায় এস.কে.এল প্রাইভেট লিঃ নামক ফিশারিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

জানা গেছে, প্রবাস থেকে আয় করে কষ্টার্জিত রেমিটেন্স এর মাধ্যমে সৈয়দ আহমদ এস.কে. এল প্রাইভেট লিঃ নামের একটি ফিশারিজ প্রতিষ্টান গড়ে তুলেন। দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত সেখানে ফল, পুষ্টিকর খাদ্য তথা মাছ, সবজী, ফসলুসমূহ নানা প্রজাতীর খাদ্য উৎপাদন করে বাংলাদেশের পুষ্টি ঘাটতি পূরন করে আসছেন। এই প্রতিষ্টানে স্থানীয় প্রায় ৩০০ লোকের কর্মসংস্থান রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন উক্ত প্রতিষ্টানে কাজ করে তারা অত্যান্ত স্বচ্ছলভাবে দিনযাপন করছেন। এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান তার সাধ্যমত এলাকার ও সমাজের উন্নয়নমূলক কাজে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার প্রতিষ্ঠান হিসাবে তার ফিসারীতে প্রতিবেশী হিসেবে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বারাবিম গ্রামের মৃত মস্তফা মিয়ার ছেলে স্থানীয় গিয়াসনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওযার্ডের মেম্বার মোঃ শামিম আহমদ,ইকবাল আহমেদের ছেলে মোঃ শহিদ মিয়া, হিরা মিয়া, সায়েদ মিয়া ও বসর মিয়ার ছেলে মোঃ এমদাদ মিয়াগং আসা যাওয়া করতেন। সেই সুযোগে সবাই তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের নিকট হতে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ফসলাদি, মাছ চুরিসহ নগদ টাকা নিতেন। প্রায় সময় রাতের আধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে পুকুরের লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ হত্যা করা হত। তিনি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে চুরি ও বিভিন্ন অপকর্ম করার বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা সবাই তার সাথে অসভ্য,অশালিন আচরণ করে এবং তারা বলেন যে, ফিসারী পরিচালনা করতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। অন্যতায় তাদের এলাকায় আমাকে ফিসারী ব্যবসা করতে দিবে না। এক পর্যায়ে গত ১০/৭/২০২০ইং ইউপি সদস্য শামিম ইউপি সদস্য হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে তার নেতৃত্বে সবাই সৈয়দ আহমদের ফিসারীতে অনুপ্রবেশ করে তার নিকট দশ লক্ষ টাকা নগদ চাঁদা দাবী করেন।

দাবীকৃত টাকা না দিলে এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ফিসারী ধ্বংস সহ তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। পরে তারা চুরির বিষয় ধামাচাপা দিতে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও গত ১৪ জুন এলাকার মানুষকে একত্রিত করে ফিসারী মালিক এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমাবেশ করে বলে দ্বৈত নাগরিক সৈয়দ আহমদ অভিযোগ করেন। শুধু প্রতিবাদ সমাবেশ করেই শামীমগংরা ক্লান্ত হয়নি। তারা সৈয়দ আহমদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা মানহানিক,ভিত্তিহীন, অসৌজন্যমূলক অপপ্রচার ও ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে অপপ্রচার করতে থাকে। এতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নানা মূখী সমস্যা সৃষ্টি হয়। অপপ্রচার ও ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা ও সমস্যা সৃষ্টি এবং তাকে ও তাহার কর্মচারীদের অব্যাহত প্রান নাশের হুমকি প্রদান করছেন। এর ফলে একদিকে তিনি প্রতিনিয়ত ব্যবসায় লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। অপর দিকে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যসহ ফিশারির কর্মচারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া সৈয়দ আহমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট ভাবে বিভিন্ন প্রকার মানহানি কর ভিডিও রেকর্ড করে ফেইসবুকে প্রচার করায় তার নিজের এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্টানের মারাত্বক ক্ষয়-ক্ষতিসহ দেশ বিদেশে মারাত্বকভাবে তার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন,উল্লেখিত ব্যক্তিগন তাদের সহিত ও আরো অন্যান্য দুষ্টতিকারীদের সঙ্গে নিয়ে পূর্বের ন্যায় তার প্রতিষ্টানে ফসলাদি চুরি, বিষ প্রয়োগ করে মাছ বিনষ্ট করার প্রায়তারাসহ গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিষয়টি তিনি মৌলভীবাজারের সংসদ সদস্য এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবগত করেছেন। কিন্তু প্রতিনিয়ত তাদের হুমকি ধামকি না থামায় গত ২২/৬/২০২০জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে  জানতে চেয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও উনি ফোন রিসিভ করেননি।

  •  
    4.9K
    Shares
  • 4.9K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরও খবর...

Comments are closed.