1. selimnews18@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস :
  2. selim.bmail24@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২) : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২)
  3. asadzobayr@yahoo.com : Zobayr : আসাদ জোবায়ের
শ্রীমঙ্গলে মাকে মারধোর করে ঘরের বাহিরে ফেলে রাখলো ছেলে ও ছেলের বউ
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন

শ্রীমঙ্গলে মাকে মারধোর করে ঘরের বাহিরে ফেলে রাখলো ছেলে ও ছেলের বউ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশীদ্রোন ইউনিয়নের শংকরসেনা গ্রামে বৃদ্ধ মাকে মেরে ঘরের বাহিরে ফেলে রাখে সন্তান। স্থানীয় ইউপি সদস্য বাদশা মিয়া ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ১৪ ই নভেম্বর শনিবার ভোর ৫টার দিকে এঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,শ্রীমঙ্গলের আশীদ্রোন ইউনিয়নের সশংকরসেনা গ্রামের আমেনা খাতুন(৬০) স্বামী মৃত আব্দুল মতলিব ছেলে মোঃ আখতার হোসেন (৪২) ও তার স্ত্রী খোদেজা বেগম(৩৫) মিলে নিজ গর্মাভধারিনী মাকে ঘর থেকে টেনে হিচড়ে বাইরে উঠানে বের করে মারধর করে ফেলে রাখেন।বৃদ্ধা আমিনার বেগমের মেয়ে লুৎফা বেগম(৩৫) স্বামী মোঃমোশারফ হোসেন পাশের বাড়ী থেকে এসে মাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মারধর করে বলে  জানিয়েছেন বোন লুৎফা বেগম ।

এবিষয়ে আলাপকালে বৃদ্ধা মা আমিনা বেগম বলেন, আমার মেয়ে আমাকে খাওয়ায়। তাই আমি আমার কাবিনের জায়গা
আমার মেয়ের নামে দিয়ে দেই। আর সেই সূত্রপাত থেকেই আমার ছেলে মোঃ আখতার হোসেন (৪২) ও ছেলের বউ খোদেজা বেগম(৩৫) মিলে আমার নিজ ঘর থেকে টেনে হিচড়ে ঘরের বাইরে উঠানে বের করে মারধর করে ফেলে রাখে। আমাকে ঘরের বাইরে পরে থাকতে দেখে স্থানীয় মেম্বার ও এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গল স্বস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে এসে ভর্তি করেন।

শ্রীমঙ্গল স্বস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাঃসাফাত মোঃ আশরাফ হোসেন।বলেন, রোগী বুকে আঘাত পেয়েছেন তাই বুক পরীক্ষা করাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

এবিষয়ে আলপের জন্য ছেলে মোঃ আখতার হোসেন (৪২) ও তার স্ত্রী খোদেজা বেগমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি তদন্ত হুমায়ুন কবির বলেন মা আমিনা বেগম বাদি হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরও খবর...

Comments are closed.