1. selimnews18@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস :
  2. selim.bmail24@gmail.com : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২) : একাত্তর এক্সপ্রেস (টিম ২)
  3. rafiqulislambd320@yahoo.com : একাত্তর এক্সপ্রেস : একাত্তর এক্সপ্রেস
  4. asadzobayr@yahoo.com : Zobayr : আসাদ জোবায়ের
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

কমলগঞ্জ : কমলগঞ্জে গভীর রাতে ভেঙ্গে ফেলা হল মসজিদের অজুখানা শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তিব্র প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা জানিয়েছেন মসজিদ র্নিমানদাতা ও কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে বলেন ১৯৯০ সালে কমলগঞ্জের কালীপুর গ্রামে পাক পাঞ্জাতন নামে আমরা প্রবাসীরা মিলে মসজিদের চেয়ারম্যান মুঈনুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে প্রবাসের দাতা সদস্যরা র্আথিক সহযোগিতা করে মসজিদ  র্নিমান করি। এই মসজিদে অজুখানা থাকা সত্বেয় প্রতিপক্ষ হিংসাত্বমূল্যক ভাবে মসজিদ দখলের পায়তারা করে মসজিদের র্পাকিংকে একটি অজুখানা র্নিমান করে যা মসজিদ র্কতৃপক্ষের কেউই জানেনা। এছাড়াও র্নিমানের পর তাহারাই রাতের আধারে ওই অজুখানা নিজেরাই ভেঙ্গে আমাদের মসজিদ কমিটির আহবায়ক  হাজী আব্দুল হাই আলাউদ্দিন ও মসজিদ রক্ষনা বেক্ষন কারী মো: খোকন মিয়াকে আসামি করে থানায় আভিযোগ দায়ের করে। যাহা সর্ম্পুন মিথ্যা ও বানোয়াট আমরা এধরনের মিথ্যা অপপ্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ব্যাখ্যায়  যা জানিয়েছেন ,শিব্বির আহমদ শামসুদ্দিন ও হারুন, তাহাদের কে আমরা প্রবাস থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা মসজিদের কাজ বাবদ দিয়েছি । আমরা মসজিদ এর দাতা সদস্য।আমরা তাহাদের কাছে যখন হিসাব চেয়েছিলাম তখন তারা একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে অবৈধভাবে মসজিদ কমিটি গঠন করে জোড়পূর্বক দখল দারিত্ব চালিয়ে আসছে। বর্তমান এ সকল কাজ আমরা স্থগিত রেখেছি। কেননা তাহারা চায় তাহাদের কাছে টাকা পয়সা লেনদেন করার জন্য, তাহারা হারুন ও শিব্বির আহমদ শামসুদ্দিন গং আমাদের প্রবাসী দাতা ভাইদের অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে। এখন ও তারা মসজিদ এর অবৈধ কমিটি দিয়ে দখল করার পায়তারায় লিপ্ত। আমরা দাতা গোষ্ঠী সম্পূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করেছি, এখানে শামসুদ্দিন বা হারুন কোন আর্থিক সহায়তা করেন নাই, বরং টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারায় লিপ্ত। মুঈনুউদ্দিন হলেন চেয়ারম্যান, যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে এই মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মান করেছেন। হঠাৎ করে আমরা টাকা দেওয়া বন্ধ করায় ,এই শামসুদ্দিন ও হারুন গং মসজীদের সামনে সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে ওজুখানা নির্মানের পরিকল্পনা করে ও অর্ধেক বাস্তবায়ন করে। বর্তমান এ আমরা মসজিদ কমিটির আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আহমেদ কে ও খোকন সহ সবাইকে বিষয়টা অবহিত করি পরে তাহাদের অভিযোগ এর ভিক্তিতে স্থানীয় প্রশাসন এসে কাজ বন্ধ করে যায়। আমরা ঐ দুস্কিতিকারীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি। পরস্পর শোনা যাচ্ছে তাহারা মসজিদ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা অত্মসাতের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। কেউ যুদি তাহাদের সাথে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করেন অণুরোধ জানিয়েছেন মসজিদের চেয়ারম্যান মুঈনুদ্দিনসহ প্রবাসের দাতা সদস্যরা।

  •  
    4
    Shares
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরও খবর...

Comments are closed.